ড. আনিসুজ্জামান এর লেখা গ্রন্থ কোনটি?
ড. আনিসুজ্জামান এর লেখা গ্রন্থ কোনটি?
-
ক
গণদেবতা
-
খ
বুদ্ধিবৃত্তিক নতুন বিন্যাস
-
গ
শিখা
-
ঘ
মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য
ড. আনিসুজ্জামান এর লেখা গ্রন্থটি হলো 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য'। উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা (১৭৫৭ থেকে ১৯১৮)' শিরোনামে। এই গবেষণাপত্রকে তিনি 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
| গণদেবতা (উপন্যাস) | বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস (প্রবন্ধগ্রন্থ) | শিখা (পত্রিকা) |
| তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় | আহমদ ছফা | আবুল হোসেন (সম্পাদক) |
গণদেবতা - তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস
বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস- লেখক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফা বিরচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
শিখা পত্রিকাটি আবুল হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়

বাংলাদেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও মনস্বী অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক সম্মান, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও তিনি উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেছেন শিকাগো ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি দীর্ঘকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। আনিসুজ্জামান উচ্চমানের গবেষণা ও সাবলীল গদ্য রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক (২০১৮) ছিলেন।
- আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় (পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট গ্রাম) জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ডা. এ.টি.এম মোয়াজ্জেম ও মাতার নাম সৈয়দা খাতুন।
- তিনি দাউদ পুরস্কার (১৯৬৫), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭০), একুশে পদক (১৯৮৫), আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক প্রদত্ত আনন্দ পুরস্কার (১৯৯৩, ২১০৭), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডিলিট (২০০৫), ভারত সরকারের পদ্মভূষণ (২০১৪), স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৫), ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদকসহ (২০১৮) বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
- তিনি ১৪ মে, ২০২০ সালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সাহিত্যকর্মসমূহঃ
'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪), 'মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র' (১৯৬৯), 'স্বরূপের সন্ধানে' (১৯৭৬), 'আঠারো শতকের চিঠি' (১৯৮৩), 'পুরোনো বাংলা গদ্য' (১৯৮৪), 'বাঙালি নারী সাহিত্যে ও সমাজে' (২০০০), 'বাঙালি সংস্কৃতি ও অন্যান্য', 'ইহজাগতিকতা ও অন্যান্য', 'সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি সাধক', 'চেনা মানুষের মুখ', 'আমার একাত্তর' (১৯৯৭), 'আমার চোখে' (১৯৯৯), 'কাল নিরবধি' (২০০৩), 'বাংলাদেশের উৎসব' (২০০২৮), 'মুক্তির সংগ্রাম' (২০১২), 'বিপুলা পৃথিবী' (২০১৫)।
তাঁর রচিত প্রবন্ধ 'জাদুঘরে কেন যাব'। রচনাটি 'ঐতিহ্যায়ন' নামক স্মারক পুস্তিকা থেকে সংকলিত।
আনিসুজ্জামানের 'কাল নিরবধি'ঃ
আনিসুজ্জামানের 'কাল নিরবধি' (২০০৩) একটি স্মৃতিকথা। এটি ২১ নভেম্বর, ১৯৯৭ থেকে ২৮ আগস্ট, ১৯৯৮ পর্যন্ত 'ভোরের কাগজ' পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে এবং ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ থেকে ৮ মার্চ, ২০০২ পর্যন্ত 'প্রথম আলো' পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ স্মৃতিকথার শুরু আনিসুজ্জামানের পূর্বপুরুষের জীবন বৃত্তান্ত দিয়ে এবং শেষ হয় মুক্তিযুদ্ধের সূচনার মাধ্যমে।
Related Question
View All-
ক
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
-
খ
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
-
গ
মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
-
ঘ
মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
-
ক
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীত
-
খ
ড. আনিসুজ্জামান
-
গ
আহমদ শরীফ
-
ঘ
আহমদ ছফা
-
ক
মুসাতাফা নূরউল ইসলাম
-
খ
আনিসুজ্জামান
-
গ
মাহমুদুল হক
-
ঘ
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ
-
ক
আনিসুজ্জামান
-
খ
মাহমুদুল হক
-
গ
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
-
ঘ
বাদশাহ বাবর
-
ক
সুকুমার সেন
-
খ
সুনীতি কুমার
-
গ
হায়াৎ মাহমুদ
-
ঘ
নিজে চেষ্টা করুন
-
ক
মুস্তফা নুরুল ইসলাম
-
খ
আনিসুসজ্জামান
-
গ
আবদুল্রাহ আবু সাঈদ
-
ঘ
ড. মাহবুল হক
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন